সঞ্জয় দত্ত ও মাধুরী দীক্ষিত

ইংরেজিতে এক কাহিনী আছে, controversies is favorite child আর বলিউডে এই কাহিনীতে যদি কেউ পুরোপুরি জানতে চায় তো সে হোল
সবার পছন্দের sanju baba. হ্যাঁ সঞ্জয় দত্ত জীবন কাহিনী কোন বলিউড  blockbuster চেয়ে কম নয় ।  এই জন্য record breaking direktor রাজ কুমার হেরানি, সুপার স্টার রণবীর কাপুর আর সাথে সঞ্জয় দত্ত জীবন কাহিনী নিয়ে  biopic বানাবেন ।


হেরানির এই  ambition project মনে হয় এই তো সময় । কিন্তু এর আগে আমরা আপনাদের শোনাবো সঞ্জয় দত্ত এর মুখের কথা ।

ওনার জিবনের এমন এক প্রথম, আর এমন এক মানুষের সমন্ধে যার জীবনী আসছে  biopic এ পাবেন । সেই মানুষটি হল  মাধুরী দীক্ষিত ।

১৯৯৮ সালে সঞ্জয় দত্ত ও মাধুরী দীক্ষিত এর দেখা হয়  Khatron Ke Khiladi ছবির সেটে । যা ছিল দুইজনের অন স্ক্রিন জুটির প্রথম ছবি ।  দুই জনের বন্ধুত এত গভির হয়ে যায় যে এদের কেমিস্ট্রি শুধু ছবির ভিতরে নয় বরং ছবির বাইরেও ।

বং দুইজনে হয়ে গেল let 18 and early 19 সব চেয়ে পপুলার অন স্ক্রিন জুটি । এরই ৬ বছরের মধ্যে ৭ ছবি করেছেন দুইজনে । এদের মধ্যে জনপ্রিও হয়েছে Khalnayak, saajan, thanedaar, আর ialaka ছবিটি । ভালই যে সঞ্জয় দত্তের বিয়ে আগেই হয়ে গিয়েছে actor রিসা সারমার সাথে। কিন্তু মাধুরী আর সঞ্জয় দত্তের সম্পর্কের কথা খুব তারাতারি ছরিয়ে পরে । ৯০ সালে মাধুরী আর সঞ্জয় সম্পর্কের কথা শিরোনামে উঠে আসে ।

কিন্তু আপসোস দুজনের সম্পর্কের মধ্যে দূরত্ব সৃষ্টি হয়ে যায় যে টা কেউ কখনও কল্পনাও করেনি । ১৯৯৩ সালে সঞ্জয় দত্তকে টেরোরিস্ট এরেস্টের জন্য তাদের সম্পর্ক ঘুরে যায় ।

সঞ্জয় গ্রেফতারের পর মাধুরীর এক  ইন্টার্ভিউ এ তাদের দুজনের সম্পর্কের কথা বলা হলে মাধুরী সরাসরি বলে দেয় ওদের দুজনের মধ্যে কোন সম্পর্ক নেই ।
মাধুরী সঞ্জয়ের সাথে দেখা করতেও যায় নি যখন সে জেলে ছিল ।

১৯৯৩ সালে অক্টোবর মাসে কিছু দিনের জন্য যখন সঞ্জয় জেল থেকে ছারা পায় তখন মুভি ম্যাগাজিন এক সংবাদ মাধ্যমকে দিয়েছে এমন এক ইন্টার্ভিউ যাতে তার কষ্টই বুঝিয়ে দেয় । সঞ্জয় কে মাধুরীর এ ধরনের কথা বলার কারণ বলা হলে - সঞ্জয় তখন বলে আমি তার কথায় কোন ধরনের প্রভাবিত হইনি । আমি তার সহকর্মী হয়েছি এবং আমি তার সঙ্গে অনেক চলচ্চিত্র কাজ করেছি ।  দেখুন, আমার সব সহকর্মীর সাথে ভালো সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে, সে মাধুরী হোক বা শ্রীদেবি ।


যেমন গুমরাহ শুটিং এর প্রথম দিন আমি একদম comfortable ছিলাম না । সবাই জানে শ্রী দেবি আলাদা থাকতে পছন্দ করে, তখন আমি নিজেই গিয়ে ওনার সাথে কথা বলি । তো মাধুরী যা বলেছে তাতে আমার কিছু যায় আসে না । মনে হয় সঞ্জয় কিছু দিন জেলে থেকে বুঝতে পেরেছে ওনার জীবনে সম্পর্ক বদলে যাবে । এই জন্য সঞ্জয় বলেছে মাধুরী আমার সাথে প্রথম দিন থেকেই ঘোল মিলে গেছে, ও তখন স্টার ছিল না, যখন আমরা প্রথম কাজ করেছি ।

যখন ওই ইন্টার্ভিউ যখন আবার তাকে বলা হয় মাধুরীর সাথে কি আপনার প্রফেশনাল সম্পর্ক ছাড়া আর অন্য কোন সম্পর্ক নেই ? তখন সঞ্জয় সরাসরি বলে দেয় ছিল না ।

সত্যি যদি মাধুরী আর আমার মাঝে কিছু হোতো! কিন্তু, নেই । দেখেন আমি আমার সহকর্মীর সাথে খুব বেশি জড়াই যাই । আপনি যদি raveena tandon এর সাথে দেখেন, তখন আপনি মনে করবেন, ওনার সাথেও আমার সম্পর্ক চলতিছে ।

ওই ইন্টার্ভিউ সঞ্জয় আরও বলেন, কিভাবে মাধুরী আর ওনার খবর বাহিরে এসেছে ? এই সব খবর বের হয়েছে ছাজান এর শুটিং এর সময় । যখন প্রেস এসব খবর ছাপাতে সুরু করে তখন মাধুরী কেনিয়ায় খেইল এর শুটিং করতেছিল । তারপর যখন ছাজান এর কথা শুরু হয়, তখন আমি ওর কাছে গিয়ে ক্ষমা চেয়েছি । কেননা ভুল না করেও সে সবার কথা সুনতে শুরু করে । ও আমাকে কিছুই বলে না এবং ক্ষমা করে দেয়।

ডিরেক্টর সুবাস ঘাই ওই সময় এক ইন্টার্ভিউয়ে সঞ্জয় ও মাধুরী সম্পর্কে বলে এটা ১০০ ভাগ সত্যি যে সঞ্জয় কখনও মাধুরী কে বিয়ে করবে না । এই কথার জবাবে সঞ্জয় বলেন  । ঘাই সাহেব আমাকে খুব ভালো ভাবে জানে কিন্তু এতটা ভালো ভাবে জানে না যে মনে কি আছে । তাছাড়া আমার জীবন সম্পর্কে প্রেস সুবাস ঘাইকে বলছে কেন ? আর যে খানে বিয়ের কথা! আর বিয়ে করার জন্য মাধুরী আর আমার মাঝে hona vi to cahiye .

এত ছিল সঞ্জয় আর মাধুরীর কাহিনী । এ কথাও সত্যি যে মাধুরী তার কথা কখনই বলতে চায় না । কখন এই গোপন সম্পর্ক কথাই বলে নি । ওনার সম্পর্ক নষ্ট হাওয়ার কিছু দিন পর মাধুরী আমেরিকায় চলে যায় । যেখানে ওনার arranged marriage হয় ডক্টর নেনের সাথে ।

কিন্তু কিছু বছর পর মাধুরীর এ ছুপি ভাংতেই হয় । রাজ কুমার হেরানির বায়পিক announcement করার পর, খবর ছরিয়ে যায় মাধুরী অনেক চিন্তিত হয়ে যায় । আর চেয়েছে ওনার সম্পর্ক সমন্ধে ছবিতে যেন কোন কথা বলা না হয় । এতটাই চিন্তিত ছিল যে মাধুরী সাল্মান খানের সাথেও কথা বলেছেন যেন ওনার জিক্রি বন্ধু সঞ্জয়ের সাথে কথা বলে এবং অনাকে বোঝাতে পারে । আর মাধুরী ও সঞ্জয়ের রিলেশনের কথা ছবি থেকে দূরে থাকে ।

যখন এ কথা ফেন দের মাঝে ছরিয়ে পরে তখন বাধ্য হয়ে মাধুরীকে মিডিয়ার সামনে এসে বলতে হয় আমি আজ যে অবস্থানে আছি সেটা কিছু নয় । আমি আমার জীবনে অনেক আগে গিয়েছি । আমি জানি না এই রিপট কোথায় থেকে আসছে, আসলে তাতে আমি কিছু যায় আসে না ।

মাধুরী তো এটা বলে দিয়েছে কিন্তু এর পিছনে কতটা সত্যি আছে সেটা বায়পিক রিলিজের পর বোঝা যাবে । আর কথাতো সত্যি সম্পর্কের কথা .


এরই সাথে অতীতের ...............তারাতারি ফিরে আসবো দুই এর সাথে আর জানাবো অতীতের সব গোপন কথা নিয়ে । কার অতীত সম্পর্কে জানতে চান আপনি, কমেন্ট করে জানিয়ে দিন আমাদের ।



Comments